June 15, 2026, 6:52 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
শূন্যরেখায় মানবিক সংকট/ অসুস্থ ১২ জন, জ্বরে কাতর আড়াই বছরের শিশু; ৩ দফা পুশইনের অভিযোগ দর্শনা সীমান্তে ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির সতর্কতায় ব্যর্থ মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামানো/অস্বস্তিকর সত্যের চ্যালেঞ্জ ও প্রত্যাশার সমীকরণ কুষ্টিয়া সীমান্তে ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা, শূন্যরেখায় অবস্থান বিজিবি–বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন: ১১ সিদ্ধান্তে শান্তি, নিরাপত্তা ও সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার বাংলাদেশ-ভারত জনগণের সম্পর্ক আমার একমাত্র অগ্রাধিকার: দীনেশ ত্রিবেদী তিন লাল কার্ডের নাটকীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু মেক্সিকোর প্রস্তাবিত বাজেটে ফিরল অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বাজেট কমলেও এগোচ্ছে ‘পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প’, বাস্তবায়ন হবে ৭ বছরে শপিংমল ও দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময়সূচি ঘোষণা

নতুন সেচ নীতি/ সেচ সংযোগ পেতে তুলে দেওয়া হলো সময়ের বাধ্যবাধকতা

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
কৃষি নির্ভর দেশে বহু এলাকায় সারা বছরই কোনও কোনওভাবে সেচের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বিপত্তি ছিল এই সেচ সংযাগ নিয়ে। নির্দ্দিষ্ট সময়ের আগে মিলতো না এই সংযোগ। দীর্ঘ দাবির প্রেক্ষিতে তুলে দেয়া হলো এই এই নিয়ম। এলো সেচ নীতি।
নতুন জারি করা সেচ নীতিতে তুলে দেওয়া হলো সময়ের বাধ্যবাধকতা। এখন থেকে বৈদ্যুতিক সেচ কার্যক্রমের জন্য আলাদাভাবে কোনও সেচ মৌসুম থাকছে না নতুন নীতিমালায়। স্থানীয় এলাকার প্রয়োজনীয়তার নিরিখে সারা বছরই বৈদ্যুতিক সেচ কাজ পরিচালিত হবে। আবেদনকারীরা বছরব্যাপী পাবেন সেচ সংযোগ।
আগে সাধারণত ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত সেচ মৌসুম বিবেচনা করা হতো। এ সময়ের বাইরে আবেদন করলে পাওয়া যেতো না সেচ সংযোগ। এটিকে সাধারণত বোরো মৌসুম হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তবে দেখা যায় সারা বছরই কোনও কোনও এলাকায় সেচের প্রয়োজন হয়। তখন সংযোগের আবেদন করলে তা পাওয়া যেতো না।
সেচ নীতিমালা ২০২৪-এ বলা হয়েছে, আউশ, আমন ও বোরো ধান উৎপাদনের পাশাপাশি পেঁয়াজ, রসুন, ডাল, তেল জাতীয় ফসল, হলুদ, আদা, শাক-সবজি, মৌসুমি ফুল-ফল উৎপাদনের লক্ষ্যে সকল ধরণের কৃষিকাজ সেচ কার্যের আওতাভুক্ত হবে।
প্রতিটি সমিতিকে সেচ গ্রাহকদের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা মোবাইল নম্বরসহ সেচ পাম্পের শ্রেণিওয়ারি ও ক্যাপাসিটি ভিত্তিক তালিকা প্রণয়নপূর্বক তা সংরক্ষণ করতে হবে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত ও বিধি-বিধানের আলোকে প্রদত্ত উপজেলা সেচ কমিটির ছাড়পত্র এবং জমির মালিকানা নিশ্চিত হয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের প্রদত্ত নির্দেশনার আলোকে দ্রুত নতুন সেচ সংযোগ প্রদান করতে হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সেচে সরকার ভর্তুকিমূল্যে বিদ্যুৎ দিয়ে থাকে। এই বিদ্যুৎ যাতে অন্যকাজে ব্যবহার না হয় এ জন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সেচের জন্য যত্রতত্র পানির পাম্প বসানোর পর পানির স্তর নেমে যাচ্ছে। এজন্য পাম্প বসানোর আগে সেচ কমিটির অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সেচ কমিটির অনুমোদন ছাড়া বোরিং স্থান পরিবর্তন করা হলে নতুন সংযোগ প্রদান করা যাবে না এবং বিদ্যমান সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। কোনও কারণে সাময়িকভাবে গ্রাহকের সেচ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলে কেবলমাত্র সংযোগ বিচ্ছিন্নের অব্যবহিত পরবর্তী বছরে পুনঃসংযোগের সময় নতুন করে উপজেলা সেচ কমিটির ছাড়পত্রের প্রয়োজন হবে না।
সেচ সংযোগপ্রত্যাশী যে গ্রাহক উপজেলা সেচ কমিটির ছাড়পত্র আবেদনের সঙ্গে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে জমা প্রদান করবেন তিনি নতুন সংযোগের ক্ষেে
নতুন নীতিতে বলা হয়েছে, কোনও কোনও এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার কারণে লোড বৃদ্ধি তথা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন হর্স পাওয়ারের মোটরের প্রয়োজন দেখা দিলে সাব-মারসিবল পাম্প স্থাপন করতে হতে পারে; এক্ষেত্রে সেচ পাম্পটি অবশ্যই কমান্ডিং এরিয়ার মধ্যে এবং ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনা বিধিমালা অনুসরণের শর্ত মেনে চলতে ।
সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগের নীতি-গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহম্মদ হোসেইন বলেন, এখন সারাবছরই নানা ফল আর ফসলের আবাদ হয়। এসব আবাদে প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়। কৃষক যাতে সমস্যায় না পড়ে সেজন্যে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net